জিপিএ-৫-এ নড়াইল সরকারি বালিকা প্রথম, পাইলট দ্বিতীয়, দাখিলে প্রথম শাহবাদ মহিলা, দ্বিতীয় বরাশুলা

১০ আগস্ট, ২০২৬ - রাত ১০:২৭
 1.5k
জিপিএ-৫-এ নড়াইল সরকারি বালিকা প্রথম, পাইলট দ্বিতীয়, দাখিলে প্রথম শাহবাদ মহিলা, দ্বিতীয় বরাশুলা
জিপিএ-৫-এ নড়াইল সরকারি বালিকা প্রথম

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৬ জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে নড়াইলে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সবার ওপরে রয়েছে।

এরপর রয়েছে লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এবং নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। 

অন্যদিকে দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে নড়াইল সদর উপজেলার প্রকাশিত তালিকায় শাহাবাদ মজিদিয়া গার্লস দাখিল মাদ্রাসা প্রথম এবং বরাশুলা শিশু সদন কমপ্লেক্স ক্যাডেট ফাজিল মাদ্রাসা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় মোট ২৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২২ জন পাস এবং ২২ জন ফেল করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ৭১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার ৯১ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় নড়াইলে এটি শীর্ষে রয়েছে।

জিপিএ-৫ অর্জনের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির মোট ২৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৩৪ জন পাস করেছে এবং ২৬ জন ফেল করেছে। এর মধ্যে ৫৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার ৯০ শতাংশ।

অন্যদিকে নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মোট ২৭৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ২০৮ জন পাস এবং ৭১ জন ফেল করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ৫১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার ৭৫ শতাংশ। 

এদিকে দাখিল পরীক্ষা-২০২৬-এর নড়াইল সদর উপজেলার প্রকাশিত ফলাফল তালিকায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে শাহাবাদ মজিদিয়া গার্লস দাখিল মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটির মোট ২২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৬ জন পাস এবং ৬ জন ফেল করেছে। প্রতিষ্ঠানটির জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা শূন্য এবং পাসের হার ৭২ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বরাশুলা শিশু সদন কমপ্লেক্স ক্যাডেট ফাজিল মাদ্রাসা। ৩৬ জন পরীক্ষার্থীর এর মধ্যে ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন, ২২ জন পাস, ১৬ জন ফেল। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ফলে প্রথম প্রতিষ্ঠানের তুলনায় পাসের হার কম হলেও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে বরাশুলা মাদ্রাসার চারজন শিক্ষার্থীর সাফল্য উল্লেখযোগ্য।

দাখিলের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠানের ফলাফল তুলনা করলে দেখা যায়, শাহাবাদ মজিদিয়া গার্লস দাখিল মাদ্রাসার পাসের হার ৭২ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ শূন্য, অন্যদিকে বরাশুলা শিশু সদন কমপ্লেক্স ক্যাডেট ফাজিল মাদ্রাসার পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ হলেও ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। অর্থাৎ জিপিএ-৫-এর সংখ্যায় বরাশুলা এগিয়ে, আর পাসের হারে এগিয়ে শাহাবাদ মজিদিয়া। এ ছাড়া চাচড়া দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা থেকে ৪  জন পরীক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছেন।

নড়াইল সদর উপজেলার প্রকাশিত ৫৯টি এসএসসি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাত্র দুটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী ফেল করেনি। একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ জন এবং একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে সবাই পাস করেছে। উভয় প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ১০০ শতাংশ। তবে কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ পায়নি। এ