ন্যাশনাল টি কোম্পানির টিকে থাকা নিয়ে বড় শঙ্কা

২০ জুন, ২০২৬ - দুপুর ২:২৯
 112
ন্যাশনাল টি কোম্পানির টিকে থাকা নিয়ে বড় শঙ্কা
ন্যাশনাল টি কোম্পানির টিকে থাকা নিয়ে বড় শঙ্কা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল টি কোম্পানির টিকে থাকা নিয়ে বড় শঙ্কা প্রকাশ করেছে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান আর্টিজান চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।

কোম্পানিটির ২০২৪–২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চরম আর্থিক ও ব্যবস্থাপনাগত সংকটের চিত্র।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯–২০ অর্থবছর থেকে কোম্পানির নিট লোকসান ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পুঞ্জীভূত লোকসান দাঁড়িয়েছে ২৩৯ কোটি ৯ লাখ টাকা।

চার বছর ধরে ইতিবাচক নগদ প্রবাহ না থাকায় ভবিষ্যতে ব্যাংক ঋণ ও অন্যান্য দায় পরিশোধের সক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। কোম্পানির ঋণনির্ভরতাও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।

২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদি মিলিয়ে মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৪৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এছাড়া কোম্পানির ইক্যুইটি বা নিট সম্পদ নেতিবাচক হয়ে ৯৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা হয়েছে।

ফলে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ১৪৪ দশমিক ৯৭ টাকা। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আর্থিক হিসাবে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ হিসেবে মোট ১৭৫ দশমিক ১৩ টাকা দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের ঋণ ও সুদ ১৩৪ দশমিক ৪৪ টাকা অন্তর্ভুক্ত। তবে ঋণের চলতি অংশ আলাদাভাবে না দেখানোয় এর শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমোদন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষকরা।

এর ব্যবসা পরিচালনা ও টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান আর্টিজান চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।

কোম্পানিটির ২০২৪–২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চরম আর্থিক ও ব্যবস্থাপনাগত সংকটের চিত্র।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯–২০ অর্থবছর থেকে কোম্পানির নিট লোকসান ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পুঞ্জীভূত লোকসান দাঁড়িয়েছে ২৩৯ কোটি ৯ লাখ টাকা।

চার বছর ধরে ইতিবাচক নগদ প্রবাহ না থাকায় ভবিষ্যতে ব্যাংক ঋণ ও অন্যান্য দায় পরিশোধের সক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।কোম্পানির ঋণনির্ভরতাও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদি মিলিয়ে মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৪৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এছাড়া কোম্পানির ইক্যুইটি বা নিট সম্পদ নেতিবাচক হয়ে ৯৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা হয়েছে। ফলে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ১৪৪ দশমিক ৯৭ টাকা।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আর্থিক হিসাবে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ হিসেবে মোট ১৭৫ দশমিক ১৩ টাকা দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের ঋণ ও সুদ ১৩৪ দশমিক ৪৪ টাকা অন্তর্ভুক্ত। তবে ঋণের চলতি অংশ আলাদাভাবে না দেখানোয় এর শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমোদন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষকরা।