প্রেমের টানে আবারও নাটোরে চীনা যুবক, পরিবারের বাধায় দেখা হলো না প্রেমিকার সাথে
সুদূর চীন থেকে প্রেমের টানে এবারও নাটোরের বড়াইগ্রামে ছুটে এলেন এক চীনা যুবক। সাত সাগর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে প্রেমিকার বাড়িতে হাজির হলেও শেষ পর্যন্ত তার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।
তরুণীর পরিবারের তীব্র বাধার মুখে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর খালি হাতেই ফিরে যেতে হয়েছে ওই চীনা নাগরিককে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের খাকসা গ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে উপস্থিত হন ওই চীনা যুবক। প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার প্রত্যাশা নিয়ে সেখানে অবস্থান করলেও পরিবারের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়। ফলে তরুণীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ সম্ভব হয়নি।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি।
তবে ঘটনাটি শুধু প্রেমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, এ নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে নানা কৌতূহল, আলোচনা ও সন্দেহ।
স্থানীয় সচেতন বাসিন্দারা জানান, এর আগেও বড়াইগ্রামে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে এক চীনা নাগরিকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখানো এবং চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল।
তাদের দাবি, সে সময় সংবাদকর্মীদের বিশেষ তৎপরতায় সাদিয়া নামে এক ভুক্তভোগী তরুণীকে ফেলে রেখে সটকে পড়েছিলেন ওই চীনা যুবক।
এরপর পুনরায় একই ধরনের ঘটনায় আরেক চীনা যুবকের বড়াইগ্রামে আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
এটি কি শুধুই ভালোবাসার টানে সুদূর চীন থেকে ছুটে আসা, নাকি এর আড়ালে রয়েছে প্রতারণা কিংবা অন্য কোনো রহস্য, এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয়দের মনে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা। তবে পুরো বিষয়টির প্রকৃত সত্য কী, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।






