আলোচিত অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে আলোচনায় শ্রীনদী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সাজেদুল ইসলাম
মাদারীপুর প্রতিনিধি:
মাদারীপুর সদর উপজেলার শ্রীনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আলোচিত অভিযান ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এসব অভিযানের নেতৃত্বে থাকা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ, পুলিশ পরিদর্শক মো. সাজেদুল ইসলামকে ঘিরেও স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ২০১৪ সালে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কেন্দ্র হিসেবে যাত্রা শুরু করা শ্রীনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র বর্তমানে শিরখাড়া, ধুরাইল, বাহাদুরপুরসহ বিস্তীর্ণ এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করছে। এর আগে ১৯৯৫ সালে ওই এলাকায় একটি অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়েছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া আক্তার হত্যা মামলার তদন্তে শ্রীনদী তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল বাগেরহাটের রামপাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার তিন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে। আন্তঃজেলা এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইনচার্জ মো. সাজেদুল ইসলাম। জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ওই অভিযানটি বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমেও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়।
এ ছাড়া মিরাকান্দি এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও একটি পিকআপ ভ্যানসহ কয়েকজন সন্দেহভাজন ডাকাতকে আটক করার ঘটনাও আলোচনায় আসে। পুলিশ জানায়, সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, শ্রীনদী তদন্ত কেন্দ্র থেকে নিয়মিত টহল, অপরাধ প্রতিরোধমূলক অভিযান, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এসব কার্যক্রমে ইনচার্জ মো. সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে কর্মকর্তা ও সদস্যরা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় পুলিশি তৎপরতা আগের তুলনায় বেড়েছে বলে তাঁদের মনে হচ্ছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সামগ্রিক উন্নতি কিংবা অপরাধের হার কমেছে কি না, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অপরাধ পরিসংখ্যান প্রকাশ না হওয়ায় নিশ্চিতভাবে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকদের মতে, কোনো থানা বা তদন্ত কেন্দ্রের কার্যকারিতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আলোচিত অভিযান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি অপরাধের পরিসংখ্যান, মামলার নিষ্পত্তির হার, জনসেবা এবং জবাবদিহিতার বিষয়গুলোও সমানভাবে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও অপরাধ দমন, দ্রুত তদন্ত এবং জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মাধ্যমে শ্রীনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে সক্ষম হবে।






